অনলাইন নিউজঃ
পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী আজ রোববার। দুর্গতিনাশিনী দেবী মা দুর্গা মহাঅষ্টমী তিথিতে নবরূপে ধরায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন। আজ সকালে দেবী দুর্গার মহাঅষ্টমীবিহীত পূজা, কল্পরম্ভ। পূজা শেষে প্রতিটি মন্দির ও পূজামণ্ডপে ভক্তরা দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। মহাঅষ্টমী ও মহানবমীর তিথির সংযোগ সময়ে সন্ধিপূজার মধ্য দিয়ে শেষ হবে ‘মহাঅষ্টমী’।
এদিন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনসহ বিভিন্ন মন্দিরে জাঁকজমকপূর্ণভাবে ‘কুমারী পূজা’ অনুষ্ঠিত হবে। এ দিনের প্রধান আকর্ষণ থাকবে কুমারী পূজা। কুমারী পূজার জন্য মাতৃভাবের পবিত্রতার প্রতীক অল্পবয়সী একটি মেয়েকে কুমারী হিসেবে মনোনীত করা হয়।
এদিকে গতকাল শনিবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহাসপ্তমী উদযাপিত হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে ধুপ-ধূনো, বেল-তুলসী আসন, বস্ত্র, নৈবেদ্য, পুষ্পমাল্য, চন্দনসহ ১৬টি উপাচার দিয়ে দেবী দুর্গাকে পূজা করা হয়। ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হয়। সব পূজামণ্ডপে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার আশীর্বাদ চেয়ে ভক্তরা অঞ্জলি প্রদান করেন। এরপর মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।
মহাসপ্তমীতে ঢাক-ঢোল, কাঁসর-ঘণ্টা ও জয়ধ্বনির মুহুর্মুহু শব্দ আর ভক্তদের পূজা অর্চনায় পূজামণ্ডপগুলো মুখরিত হয়ে ওঠে। আনন্দে, ভক্তিতে মাতোয়ারা ভক্তরা ধূপদানি নিয়ে নেচে নেচে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে দেবী দুর্গাকে। অধিকাংশ পূজামণ্ডপ ঘিরে আনন্দঘন পরিবেশ দেখা গেছে।
যথারীতি সব পূজামণ্ডপেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব, আনসার, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য ও পূজা কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন।